মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বাংলাদেশ বেতার রংপুরের বিশেষ প্রচারণা - টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ SDG

বাংলাদেশ বেতার রংপুরে প্রচারিত 'টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ' অনুষ্ঠানগুলো শুনতে এখানে (হলুদ মার্কিং) ক্লিক করুন  

টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ - 

জুলাই ২০১৬ হতে, প্রতি রবিবার সকাল ০৭:৪৫ (এএম), মঙ্গলবার রাত ০৮:০০ (এফএম) বিশেষ অনুষ্ঠান ‘টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ (এসডিজি)’ বাংলাদেশ বেতার-রংপুর থেকে প্রচারিত হয়ে আসছে। এছাড়া, বাংলাদেশ বেতার-ঢাকা থেকে প্রচারিত এ বিষয়ক অনুষ্ঠানও নিয়মিত রিলে করা হয় অত্র কেন্দ্র থেকে।

 

অনুষ্ঠানে কথিকা, সংকলন, প্রামাণ্য, নাটিকা, সাক্ষাৎকার, স্পট, ভক্সপপ, গান ইত্যাদি প্রচারিত হয়।

 

 

২০১৫-এর সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা তথা এসডিজি -এর ১৭টি অভীষ্ট লক্ষ্য, অন্তর্গত ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ২৩২ টি সূচক (পরবর্তীতে সামান্য সংশোধিত হয়) ঘোষিত হয়। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহস্রাব্দ উন্নয়ন ঘোষণার ন্যায়, এ উন্নয়ন বিষয়সূচি অনুমোদনকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বৈশ্বিক পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্য প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুরু থেকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।  বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনের মতো, এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও সফল ও অগ্রগামী একটি প্রধান দেশ হবে; এ লক্ষ্যেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে – এসডিজি কে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় সংযুক্তিকরণ,  এসডিজি অর্জনের লক্ষ্য মন্ত্রণালয় ভিত্তিক কর্ম-দায়িত্ব বণ্টন তথা এসডিজি ম্যাপিং, জাতীয় সমন্বয়ক নিয়োগ এবং এসডিজি ট্র্যাকিং সৃষ্টি এরই অন্যতম প্রতিফলন। এর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ উচ্চ মধ্যম আয়ের, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে, এটি নিঃসন্দেহে প্রত্যাশা করা যায়।

 

এসডিজি অর্জনে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সফল করতে জনগণের সম্পৃক্তার বিকল্প নেই। বাংলাদেশ বেতারের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় - ‘তথ্য মন্ত্রণালয়, এসডিজি ম্যাপিং এ এসডিজি ১৬.১০ লক্ষ্যমাত্রার লিড মন্ত্রণালয় এবং অনেকগুলো লক্ষ্যমাত্রার সহযোগী মন্ত্রণালয় হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বেতার - রংপুর, এসডিজি বিষয়ক জনসচেতনতা এবং জন-সম্পৃক্ততা বাড়াতে নিয়মিত এসডিজি বিষয়ক অনুষ্ঠান প্রচার করে যাচ্ছে।

টেকসই উন্নয়নের ১৭টি অভীষ্ট লক্ষ্য -

এসডিজি

সর্বত্র সকল ধরনের দারিদ্র্যের অবসান।

এসডিজি

ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টির লক্ষ্য অর্জন এবং টেকসই কৃষির প্রবর্ধন।

এসডিজি

সুস্থ জীবন নিশ্চিতকরণ এবং সকল বয়সের মানুষের জন্য কল্যাণ প্রবর্ধন।

এসডিজি

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়সঙ্গত মানের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সবার জন্য জীবনব্যাপি শিক্ষা সুযোগ প্রবর্ধন।

এসডিজি

লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও বালিকার ক্ষমতায়ন।

এসডিজি

সবার জন্য পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং এর সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ।

এসডিজি

সবার জন্য ব্যয়সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানি সুবিধা সহজলভ্যকরণ।

এসডিজি

সবার জন্য পূর্ণকালীন ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান ও ভালো মানের কাজ সহ স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রবর্ধন।

এসডিজি

স্থিতিশীল অবকাঠামো বিনির্মাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পায়ন প্রবর্ধন এবং উদ্ভাবনাকে উৎসাহদান।

এসডিজি ১০

বিভিন্ন দেশের মধ্যে এবং অভ্যন্তরে অসমতা হ্রাসকরণ।

এসডিজি ১১

বিভিন্ন নগর ও জনবসতিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই রূপে বিন্যাস।

এসডিজি ১২

টেকসই ভোগ ও উৎপাদন পদ্ধতি প্রবর্তন।

এসডিজি ১৩

জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ।

এসডিজি ১৪

টেকসই উন্নয়নের জন্য মহাসাগর, সমুদ্র ও সামুদ্রিক সম্পদ টেকসই উপায়ে ব্যবহার ও সংরক্ষণ।

এসডিজি ১৫

স্থলজ ইকোসিস্টেমের টেকসই ব্যবহার প্রবর্ধন, সুরক্ষা ও পুনরুদ্ধার, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, মরুময়তা মোকাবেলা, এবং ভূমি অবক্ষয় বিপরীতমুখী ও নিবৃত্তকরণ এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি নিবারণ।

এসডিজি ১৬

টেকসই উন্নয়নের জন্য শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন প্রবর্ধন, বিচার সুবিধা সবার জন্য সহজলভ্যকরণ, সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণ।

এসডিজি ১৭

বাস্তবায়নের উপায় শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিতার পুনরুজ্জীবন।

 

চিত্রে আমরা দেখতে পাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দশটি বিশেষ উদ্যোগ ঠিকভাবে কার্যকর হওয়ার অর্থ হচ্ছে এসডিজির তথা  টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হওয়া। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো বাংলাদেশের ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে আত্তীকরণ করা হয়েছে এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত যতগুলো জাতীয় উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা করা হবে সেগুলোও এসডিজি অর্জনের কথা মাথায় রেখেই করা হবে। এসবই বাংলাদেশের 'রূপকল্প ২০২১' এবং পরবর্তীতে 'রূপকল্প ২০৪১' সফল করার বিভিন্ন ধাপের অংশ।

 

সূত্র - বাংলাদেশ বেতারে রংপুরের সুবর্ণ জয়ন্তী (২০১৭) উপলক্ষে প্রকাশিত সুভ্যেনির / ম্যাগাজিন 

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter